শনিবার ১৩ জুন ২০২৬
Online Edition

চলে গেলেন আন্দোলনে গুলীবিদ্ধ আবদুল্লাহ

 

স্টাফ রিপোর্টার : স্বৈরাচার শেখ হাসিনা সরকারের পতনের দিন মাথায় গুলীবিদ্ধ হওয়া সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের শিক্ষার্থী আবদুল্লাহ ইন্তিকাল করেছেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টায় ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। ২৩ বছর বয়সী আবদুল্লাহ সোহরাওয়ার্দী কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৯-২০ সেশনের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি যশোরের বেনাপোলে। আবদুল্লাহর বাবা আব্দুল জব্বার বলেন, গত মাসের ১০ তারিখে সিএমএইচে তার অপারেশন করেন ডাক্তাররা। অপারেশন সফলও হয়েছিল। অপারেশনের কয়েকদিন পর আমার ছেলে আমার সঙ্গে হেঁটে বেড়াইছে, আমার সঙ্গে খাবার খাইছে। ২০-২২ দিন আগে সে আবার অসুস্থ হয়ে পড়ে। আজ একেবারে চলে গেল। আবদুল্লাহর লাশ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে ময়নাতদন্ত হয়। ময়নাতদন্ত শেষে আবদুল্লাহর বাবা জব্বার বলেন, “মোহাম্মদপুরে তার গোসল করানো হয়। এরপর তার কলেজে জানাযা হয়। বাদ মাগরিব শহীদ মিনারে জানাযা শেষে তাকে গ্রামের বাড়ি নিয়ে যাওয়া হয়, সেখানেই তাকে দাফন করা হয়।  বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক তাহমিদ আল মুদ্দাসসির চৌধুরী বলেন, ‘বৈষম্যবিরোধী à¦›à¦¾à¦¤à§à¦° আন্দোলনে’ গুলীবিদ্ধ শিক্ষার্থী মো. আব্দুল্লাহ শহীদ হয়েছেন। 

সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিলের দাবিতে গত জুলাইয়ে শুরু হওয়া আন্দোলনে আবদুল্লাহ সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। গণআন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনার দেশত্যাগের দিন à§« আগস্ট সন্ধ্যায় ঢাকার তাঁতীবাজার মোড়ে মাথায় গুলীবিদ্ধ হন আবদুল্লাহ। প্রায় দুই-তিন ঘণ্টা রাস্তায় পড়ে থাকার পর প্রথমে তাকে মিটফোর্ড, পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে রাতে অপারেশনের পর ডাক্তাররা তার ‘সুস্থ হওয়ার’ বিষয়ে আশ্বস্ত করেন। কয়েকদিন পর তাকে ছাড়পত্র দিলে গ্রামের বাড়ি নিয়ে যায় পরিবার। কিন্তু পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে আবার ঢাকা মেডিকেলে এনে ভর্তি করা হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ২২ আগস্ট তাকে সিএমএইচে স্থানান্তর করা হলে সেখানেও তার অস্ত্রোপচার হয়। শেষ পর্যন্ত সিএমএইচে চিকিৎসাধীন অবস্থায় না ফেরার দেশে পাড়ি জমালেন আবদুল্লাহ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ